Powered By Blogger

মঙ্গলবার, ১ মে, ২০১২

Hasina is coraptar


***আল্লামা সাইদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার।***

নিন্মে সাইদির" সংখিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত তুলে ধরলাম।
(লেখাটি শেয়ার করুন অন্যকেও জানতে দিন--)

**আল্লামা সাইদি মানবতা বিরোধী নয় বরং তিনি বিশ্বমানবতার পক্ষে কথা বলেছেন ।কারন কুরআনের থেকে মানবতার কথা কোন কিতাবেইবা বেশি লেখা আছে ??

"বিশ্ববরেন্য তাফসিরে কুরআন "আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাইদির" সংখিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত"

**আল্লামা দেলোয়ার হোসাইন সাইদি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাচ্ছেরে কুরআন । তিনি ১৯৪০ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহন করেন । মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইদি ১৯৬২ সালে ছাররছিনা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল পাশ করার পর বিভিন্ন ভাষা, ধর্ম, দর্শন , বিজ্ঞান , রাজনীতি , অর্থনীতি ,পররাষ্ট্রনীতি , মনোবিজ্ঞান ও বিভিন্ন তত্তের উপর দীর্ঘ ৫ বছর অধ্যায়ন করেন ।

১৯৬৭ সাল থেকে তিনি নিজেকে "দায়ি ইলাল্লাহ" হিসেবে আত্মনিয়োগ করেন । ১৯৭৬ সাল থেকে সৌদি আমন্ত্রনে রাজকীয় মেহমান হিসেবে তিনি হজ্জব্রত পালন করে আসছেন ।মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইদি পৃথিবীর অর্ধশতেরও বেশি দেশে আমন্ত্রিত হয়ে ইসলামের সু-মহান আদর্শ মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন । তিনি অক্সফোর্ড সহ পৃথিবীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনারে বক্তব্য রাখেন ।

১৯৮২ সালে ইমাম খমিনির আমন্ত্রনে ইরানের প্রথম বিপ্লব বার্ষিকী উজ্জাপন উপলক্ষে তিনি তেহরান সফর করেন । ১৯৯১ সালে সৌদি বাদশার আমন্ত্রনে কুয়েত - ইরাক যুদ্ধের মিমাংসা বৈঠকে তিনি যোগদান করেন । ১৯৯১ সালে ইসলামী সারকেল অফ নর্থ অ্যামেরিকা তাকে "আল্লামা" খেতাবে ভূষিত করেন ।

১৯৯৩ সালে নিউইয়ার্কে জাতিসঙ্ঘের সামনে অ্যামেরিকান মুসলিম ডে প্যারেড সম্মেলনে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইদিকে "গ্র্যান্ড মার্শাল "পদক দেয়া হয় । দুবাই সরকারের আমন্ত্রনে ২০০০ সালের ৮ই ডিসেম্বর আরব আমিরাতে ৫০,০০০ হাজারেরও বেশি স্রোতার সামনে তিনি কোরআনের তাফসির পেশ করেন ।

লন্ডন মুসলিম সেন্টারের উদ্ভধনি অনুষ্ঠানে কাবা শরিফের সম্মানিত ইমাম "শায়েখ আব্দুর রাহমান আস সুদাইসির" সাথে মাওলানা সাইদিও আমন্ত্রিত হন ।মাওলানা সাইদির হাতে হাত রেখে ছয় শতাধিক অমুসলিম ইসলামের সুমহান আদর্শে দিক্ষিত হন ।১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে পর পর ২ বার নিজ আসন পিরোজপুর ১ আসন থেকে জনগনের ভোটে নির্বাচিত হয়ে জাতিয় সংসদ সদস্য হন ।

আজ স্বৈরাচারী আওয়ামি বাকশাল সরকার সাইদির বিরুধ্যে মিথ্যা অজুহাত উপস্থাপন করছে । আল্লামা সাইদি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার ।সাইদি যদি ইসলামের কথা, সত্যের কথা , শান্তির কথা বলে রাজাকার হয় তা হলে আমি এমন রাজাকারের পক্ষে থাকতে চাই । হাসিনার তৈরি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল একটা মিথ্যা , ভণ্ডামি এবং জাতির সাথে বড় ধরনের প্রতারনা ।
"মানবতা বিরোধী আদালতের প্রতিদিনের কর্মকান্ড রাষ্ট্রদ্রোহিতার সামিল "।হে আল্লাহ তুমি সর্বশক্তিমান ।

মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল, ২০১২

কবিতা *


ছোট মনি
ছোট মনি সোনার খনি
    তোমায় ভালবাসি,
তোমার দু:খেই কাঁদি আমি
       তোমার সূখে হাসি
তুমি আমার আধার ঘরের
       আলোয় ভরা বাতি
তুমি আমার একলা মনের
      ছোট খেলার সাথি
                            ছোট মনি সোনার খনি
    তুমি আমার প্রাণ,
তোমার মূখে চেয়ে থেকে
      হারাই সকল মান

শনিবার, ৭ জানুয়ারি, ২০১২

সাক্ষীর রাজ্যে চোরের হান।

সাঈদীর বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী কলা চুরির মামলায় জামিনে আছেন;
undefined


তিনটি চুরি মামলার আসামী সুলতান আহমদ হাওলাদার সাক্ষ্য দিলেন মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে। কলা চুরির মামলায় পিরোজপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জেল দেন সুলতান আহমদকে। পিরোজপুর জজ আদালত সেই সাজা বহাল রাখেন। হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে মামলাটি। এছাড়া সুলতান আহমদের বিরুদ্ধে ট্রলার চুরির দায়ে অপর দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বরিশালে।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা সাঈদীর আইনজীবীদের জেরায় সাক্ষী সুলতান আহমদ সম্পর্কে আজ বৃহস্পতিবার এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। গতকাল সুলতান আহমদ মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন। আজ মাওলানা সাঈদীর আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।
উল্লেখ্য, মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার বাদী এবং প্রথম সাক্ষী মাহবুবুল আলম হাওলাদার চুরির মামলায় জেল খেটেছেন এবং যৌতুক মামলায় তার সাজা বহাল রয়েছে। দ্বিতীয় সাক্ষী রুহুল আমিন নবীনের বিরুদ্ধেও বিদ্যুৎ চুরির দায়ে মামলা হয়েছে। আজকের জেরায় চতুর্থ সাক্ষী সুলতান আহমদ হাওলাদারের বিরুদ্ধেও তিনটি চুরি মামলার তথ্য প্রকাশ হলো।
আজ জেরার সময় সুলতান আহমদকে মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী প্রশ্ন করেন, আপনি তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা কিনা।
সুলতান আহমদ বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধাই নই
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী প্রশ্ন করেন, ‘আপনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য পিরোজপুর সদর এমপি একেএমএ আউয়ালের কাছে দরখাস্ত করেছেন এবং এমপি আপনাকে ডিও লেটার দিয়েছেন।
সুলতান আহমদ বলেন, ‘সহায়ক মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য দরখাস্ত করেছি। মুক্তিযোদ্ধার সমর্থনকারী হওয়ার জন্য।
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী স্পষ্ট করে জানতে চান, ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার জন্য দরখাস্ত দিয়েছেন কিনা
তখন তিনি বলেন, ‘না
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী তাকে প্রশ্ন করেন, ‘ধানকাটা বিষয়ে আপনার বিরুদ্ধে একটি মামলা আছে
সুলতান আহমদ বলেন, ‘জানা নেই

প্রথম ২ জন স্বাক্ষীই চুরির মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী। সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষীর বক্তব্যেই স্পষ্ট হিরক রাজার দেশ না হলে তিনি বেকসুর খালাস পাবেন। এ তথ্যগুলো কথিত সুশীল মিডিয়া প্রকাশ বা প্রচার করে না। অথচ সাঈদীর বিরুদ্ধে যত মিথ্যা তথ্য ও স্বাক্ষ্য আছে তার সবকিছুই প্রচার করে।বিজয়ের ৪০ বছর পরে তরুণ প্রজন্মকে আর কত বিভ্রান্ত ? আগ্রাসীদের ক্রীম খাওয়া সুশীল মিডিয়া ও কতিপয় প্রবীন ভারের জাতি বিনাশী ইস্যুকে তরুণ প্রজন্মের ইচ্ছার নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মালয়েশিয়া যখন বলে 'এক মালয়েশিয়া', তখন স্বাধীনতার ৪০বছর পরেও আমরা জাতিকে স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ দু'ভাগে বিভক্ত করা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি! দেশ ও সাধারণ জনগণের কথা ভাববার সময় কোথায়? সরকার ব্যস্ত রয়েছে জনগণের সাথে সম্পর্কহীন দশ-ট্র্যাক অস্ত্র, যুদ্ধাপরাধ মামলা, নজিরবিহীন লুটপাটে ও বিভিন্ন অজুহাতে বিরোধীদের দমনের মাধ্যমে নিষ্কণ্টকভাবে দিল্লীসহ পরাশক্তির মনোরঞ্জনে!
undefined

জাতির সবকিছুকে বিভক্তির জননী হাসিনার কাছ থেকে ঐক্য আশা করা যায় না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও দেশের জনগণের জন্য একের পর এক দুর্বিষহ বিপদ নিয়ে আসছেন, আর বিরোধী দলে থাকতে তাদের ভূমিকা তো সবাই জানি!