সাঈদীর বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী ‘কলা চুরি’র মামলায় জামিনে আছেন;

তিনটি চুরি মামলার আসামী সুলতান আহমদ হাওলাদার সাক্ষ্য দিলেন মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে। কলা চুরির মামলায় পিরোজপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জেল দেন সুলতান আহমদকে। পিরোজপুর জজ আদালত সেই সাজা বহাল রাখেন। হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে মামলাটি। এছাড়া সুলতান আহমদের বিরুদ্ধে ট্রলার চুরির দায়ে অপর দু’টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বরিশালে।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা সাঈদীর আইনজীবীদের জেরায় সাক্ষী সুলতান আহমদ সম্পর্কে আজ বৃহস্পতিবার এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। গতকাল সুলতান আহমদ মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন। আজ মাওলানা সাঈদীর আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।
উল্লেখ্য, মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার বাদী এবং প্রথম সাক্ষী মাহবুবুল আলম হাওলাদার চুরির মামলায় জেল খেটেছেন এবং যৌতুক মামলায় তার সাজা বহাল রয়েছে। দ্বিতীয় সাক্ষী রুহুল আমিন নবীনের বিরুদ্ধেও বিদ্যুৎ চুরির দায়ে মামলা হয়েছে। আজকের জেরায় চতুর্থ সাক্ষী সুলতান আহমদ হাওলাদারের বিরুদ্ধেও তিনটি চুরি মামলার তথ্য প্রকাশ হলো।
আজ জেরার সময় সুলতান আহমদকে মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী প্রশ্ন করেন, আপনি তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা কিনা।
সুলতান আহমদ বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধাই নই’।
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী প্রশ্ন করেন, ‘আপনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য পিরোজপুর সদর এমপি একেএমএ আউয়ালের কাছে দরখাস্ত করেছেন এবং এমপি আপনাকে ডিও লেটার দিয়েছেন।’
সুলতান আহমদ বলেন, ‘সহায়ক মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য দরখাস্ত করেছি। মুক্তিযোদ্ধার সমর্থনকারী হওয়ার জন্য।’
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী স্পষ্ট করে জানতে চান, ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার জন্য দরখাস্ত দিয়েছেন কিনা’।
তখন তিনি বলেন, ‘না’।
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী তাকে প্রশ্ন করেন, ‘ধানকাটা বিষয়ে আপনার বিরুদ্ধে একটি মামলা আছে’।
সুলতান আহমদ বলেন, ‘জানা নেই’।
প্রথম ২ জন স্বাক্ষীই চুরির মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী। সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষীর বক্তব্যেই স্পষ্ট হিরক রাজার দেশ না হলে তিনি বেকসুর খালাস পাবেন। এ তথ্যগুলো কথিত সুশীল মিডিয়া প্রকাশ বা প্রচার করে না। অথচ সাঈদীর বিরুদ্ধে যত মিথ্যা তথ্য ও স্বাক্ষ্য আছে তার সবকিছুই প্রচার করে।বিজয়ের ৪০ বছর পরে তরুণ প্রজন্মকে আর কত বিভ্রান্ত ? আগ্রাসীদের ক্রীম খাওয়া সুশীল মিডিয়া ও কতিপয় প্রবীন ভারের জাতি বিনাশী ইস্যুকে তরুণ প্রজন্মের ইচ্ছার নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মালয়েশিয়া যখন বলে 'এক মালয়েশিয়া', তখন স্বাধীনতার ৪০বছর পরেও আমরা জাতিকে স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ দু'ভাগে বিভক্ত করা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি! দেশ ও সাধারণ জনগণের কথা ভাববার সময় কোথায়? সরকার ব্যস্ত রয়েছে জনগণের সাথে সম্পর্কহীন দশ-ট্র্যাক অস্ত্র, যুদ্ধাপরাধ মামলা, নজিরবিহীন লুটপাটে ও বিভিন্ন অজুহাতে বিরোধীদের দমনের মাধ্যমে নিষ্কণ্টকভাবে দিল্লীসহ পরাশক্তির মনোরঞ্জনে!

জাতির সবকিছুকে বিভক্তির জননী হাসিনার কাছ থেকে ঐক্য আশা করা যায় না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও দেশের জনগণের জন্য একের পর এক দুর্বিষহ বিপদ নিয়ে আসছেন, আর বিরোধী দলে থাকতে তাদের ভূমিকা তো সবাই জানি!

তিনটি চুরি মামলার আসামী সুলতান আহমদ হাওলাদার সাক্ষ্য দিলেন মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে। কলা চুরির মামলায় পিরোজপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জেল দেন সুলতান আহমদকে। পিরোজপুর জজ আদালত সেই সাজা বহাল রাখেন। হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে মামলাটি। এছাড়া সুলতান আহমদের বিরুদ্ধে ট্রলার চুরির দায়ে অপর দু’টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে বরিশালে।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা সাঈদীর আইনজীবীদের জেরায় সাক্ষী সুলতান আহমদ সম্পর্কে আজ বৃহস্পতিবার এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। গতকাল সুলতান আহমদ মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে আদালতে সাক্ষ্য দেন। আজ মাওলানা সাঈদীর আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন।
উল্লেখ্য, মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার বাদী এবং প্রথম সাক্ষী মাহবুবুল আলম হাওলাদার চুরির মামলায় জেল খেটেছেন এবং যৌতুক মামলায় তার সাজা বহাল রয়েছে। দ্বিতীয় সাক্ষী রুহুল আমিন নবীনের বিরুদ্ধেও বিদ্যুৎ চুরির দায়ে মামলা হয়েছে। আজকের জেরায় চতুর্থ সাক্ষী সুলতান আহমদ হাওলাদারের বিরুদ্ধেও তিনটি চুরি মামলার তথ্য প্রকাশ হলো।
আজ জেরার সময় সুলতান আহমদকে মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী প্রশ্ন করেন, আপনি তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা কিনা।
সুলতান আহমদ বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধাই নই’।
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী প্রশ্ন করেন, ‘আপনি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য পিরোজপুর সদর এমপি একেএমএ আউয়ালের কাছে দরখাস্ত করেছেন এবং এমপি আপনাকে ডিও লেটার দিয়েছেন।’
সুলতান আহমদ বলেন, ‘সহায়ক মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য দরখাস্ত করেছি। মুক্তিযোদ্ধার সমর্থনকারী হওয়ার জন্য।’
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী স্পষ্ট করে জানতে চান, ‘মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার জন্য দরখাস্ত দিয়েছেন কিনা’।
তখন তিনি বলেন, ‘না’।
মাওলানা সাঈদীর আইনজীবী তাকে প্রশ্ন করেন, ‘ধানকাটা বিষয়ে আপনার বিরুদ্ধে একটি মামলা আছে’।
সুলতান আহমদ বলেন, ‘জানা নেই’।
প্রথম ২ জন স্বাক্ষীই চুরির মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী। সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষীর বক্তব্যেই স্পষ্ট হিরক রাজার দেশ না হলে তিনি বেকসুর খালাস পাবেন। এ তথ্যগুলো কথিত সুশীল মিডিয়া প্রকাশ বা প্রচার করে না। অথচ সাঈদীর বিরুদ্ধে যত মিথ্যা তথ্য ও স্বাক্ষ্য আছে তার সবকিছুই প্রচার করে।বিজয়ের ৪০ বছর পরে তরুণ প্রজন্মকে আর কত বিভ্রান্ত ? আগ্রাসীদের ক্রীম খাওয়া সুশীল মিডিয়া ও কতিপয় প্রবীন ভারের জাতি বিনাশী ইস্যুকে তরুণ প্রজন্মের ইচ্ছার নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মালয়েশিয়া যখন বলে 'এক মালয়েশিয়া', তখন স্বাধীনতার ৪০বছর পরেও আমরা জাতিকে স্বাধীনতার পক্ষ-বিপক্ষ দু'ভাগে বিভক্ত করা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি! দেশ ও সাধারণ জনগণের কথা ভাববার সময় কোথায়? সরকার ব্যস্ত রয়েছে জনগণের সাথে সম্পর্কহীন দশ-ট্র্যাক অস্ত্র, যুদ্ধাপরাধ মামলা, নজিরবিহীন লুটপাটে ও বিভিন্ন অজুহাতে বিরোধীদের দমনের মাধ্যমে নিষ্কণ্টকভাবে দিল্লীসহ পরাশক্তির মনোরঞ্জনে!

জাতির সবকিছুকে বিভক্তির জননী হাসিনার কাছ থেকে ঐক্য আশা করা যায় না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েও দেশের জনগণের জন্য একের পর এক দুর্বিষহ বিপদ নিয়ে আসছেন, আর বিরোধী দলে থাকতে তাদের ভূমিকা তো সবাই জানি!
